চামড়াশিল্পকে বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি আয়কারী খাত হিসেবে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
রপ্তানি আয়
চলতি বছরের অক্টোবর মাসে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৩,৮২৩.৮৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা সেপ্টেম্বর মাসের তুলনায় ৫.৪১ শতাংশ বেশি।
সদ্য সমাপ্ত ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশের রপ্তানি আয়ে ৮.৫৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এ সময়ে মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৪৮.২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
দীর্ঘদিন পর দেশের রপ্তানি বাণিজ্যে উচ্চ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে। গত অক্টোবর মাসে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ২০.৬৫ শতাংশ বেড়ে ৪.১৩ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়িয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে এটি ছিল ৩.৪২ বিলিয়ন ডলার। রবিবার বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) এ তথ্য প্রকাশ করেছে।
চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে দেশের রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে ৬.৭৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। সেপ্টেম্বরে মোট রপ্তানি আয় দাঁড়িয়েছে ৩.৫১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২০ মিলিয়ন ডলার বেশি।
দেশের রপ্তানি আয়ের ৮৪ শতাংশের বেশি পোশাক খাত থেকে অর্জিত হয় বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক।
চলতি বছরের মার্চে পণ্য রপ্তানি করে আয় হয়েছে ৫১০ কোটি ২৫ লাখ ডলার। এ সময় রপ্তানি আয়ে প্রবৃদ্ধি প্রায় ১০ শতাংশ। তবে মাসিক লক্ষ্যমাত্রা ৫১৪ কোটি ডলারের চেয়ে শূন্য দশমিক ৮৮ শতাংশ কম।
চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ছয় মাসে (জুলাই-ডিসেম্বর) দেশে রপ্তানি আয় হয়েছে ২ হাজার ৭৫৪ কোটি মার্কিন ডলারের।
চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জুলাই-নভেম্বর) দেশে রপ্তানি আয় এসেছে ২ হাজার ২২৩ কোটি ২২ লাখ মার্কিন ডলারের।
ডলার সংকটের ভরাডুবিতে জোগানের উৎসে সুখবর পাচ্ছে না বাংলাদেশ। সদ্য সমাপ্ত সেপ্টেম্বরে প্রবাসী আয়ের সাথে রপ্তানি আয়ও কমেছে।